1. admin@dainikprothomprohor.com : admin : News Desk
রমনা বটমূলে শতাধিক কণ্ঠে সুরে-সুরে ছায়ানটের বর্ষবরণ - দৈনিক প্রথম প্রহর
সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন

রমনা বটমূলে শতাধিক কণ্ঠে সুরে-সুরে ছায়ানটের বর্ষবরণ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৩

বিদায় বাংলা ১৪২৯ বর্ষের। বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন বাংলা বর্ষ, ১৪৩০। নতুন বছরের সূর্য উদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রমনা বটমূলে সুরের মূর্ছনায় শুরু হয়েছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে শুরু হয়েছে বাংলা ১৪৩০ সালকে বরণ করে নেওয়ার ঐতিহ্যবাহী আয়োজন, ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।

প্রায় আট মিনিটের এই পরিবেশনার পর শুরু হয়েছে গানের পালা। এতে সম্মেলক গানের ফাঁকে ফাঁকে বিশিষ্ট শিল্পীদের একক কণ্ঠেও থাকছে গান ও আবৃত্তি। এবারের গানগুলো সাজানো হয়েছে নতুন স্নিগ্ধ আলোয় স্নাত প্রকৃতির গান, মানবপ্রেম, দেশপ্রেম ও আত্মবোধন আর জাগরণের সুরবাণী দিয়ে। ছায়ানটের শিল্পীদের বাজনা মুহূর্তেই মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেয় রমনাজুড়ে।

সকাল সোয়া ৬টায় রাগ যন্ত্রবাদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। এদিন সকাল থেকে রমনার বটমূলে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের আসা শুরু হয়। এবার ১০টি সম্মিলিত গান, ১১টি একক গান, দুটি আবৃত্তি এবং সবশেষে জাতীয় সংগীতে সাজানো হয়েছে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠান।

রাজধানীতে ১৯৬৭ সালে প্রথম রমনার বটমূলে পয়লা বৈশাখের সূর্যোদয়ের সময় সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছায়ানট। সেই অনুষ্ঠানই মূলত বাংলা নববর্ষ বরণের সাংস্কৃতিক উৎসবকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রেরণা যুগিয়েছে।

সেই থেকে (১৯৬৭) পয়লা বৈশাখ উদযাপনের একটা অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গও হয়ে উঠেছে ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন। এরপর কেবল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বৈরী পরিবেশের কারণে অনুষ্ঠান হতে পারেনি। ২০০১ সালে এ গানের অনুষ্ঠানে জঙ্গিরা ভয়াবহ বোমা হামলা করলেও অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়েনি। এর মধ্যে করোনার কারণে ২০২০-২১ সালে বর্ষবরণের এই আয়োজন সম্ভব হয়নি। দুই বছর পর গত বছর সাড়ম্বরে রমনার বটমূলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান করে ছায়ানট।

প্রতি বছরের মতো এবারও জোর নিরাপত্তায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হচ্ছে। বর্ণিল এ আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ঘিরে রমনা উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া ছায়ানট কর্মীদের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী, লাউড ওয়ার্কস ও থার্টিনথ হুসার্স ওপেন রোভার গ্রুপের নির্বাচিত সদস্যরা কাজ করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কপিরাইট © ২০২২ দৈনিক প্রথম প্রহর. কম
ডিজাইন ও ডেভেলপ : ডিজিটাল এয়ার