1. admin@dainikprothomprohor.com : admin : News Desk
সেন্টমার্টিনে তাণ্ডব চালাচ্ছে ঘুর্ণিঝড় মোখা - দৈনিক প্রথম প্রহর
সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

সেন্টমার্টিনে তাণ্ডব চালাচ্ছে ঘুর্ণিঝড় মোখা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩

কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। রোববার দুপুর ১টার পর সেন্টমার্টিনে তাণ্ডব শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড়টি। অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়টি এখন সেন্টমার্টিনে তাণ্ডব চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

সেন্টমার্টিনের ঘাট এলাকায় বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে, সঙ্গে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে।

আতঙ্কের মধ্যে সময় কাটাচ্ছে সেন্টমার্টিনের সাধারণ মানুষ। সেখানে স্বাভাবিকের চেয়ে পানির উচ্চতা কয়েক ফুট বেড়েছে।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ‌সময়ের সাথে সাথে বাতাসের তীব্রতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন জোয়ারের সময়। যদি বাতাসের সাথে জোয়ার আসে, তাহলে সাগরের পানি কূলের মধ্য চলে আসবে। এই মুহূর্তে মানুষ খুবই আতঙ্কিত। তাদের সান্ত্বনা দেওয়া হচ্ছে।

সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, ‘পুরো সেন্টমার্টিনকে তছনছ করে দিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। অতুলনীয় তীব্র বাতাস। ভেজা বালি পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। জোয়ার আসার সময়ও ঘনিয়ে আসছে। হে আল্লাহ, তোমার কাছে বিনীত প্রার্থনা এখন জোয়ার দিও না। জোয়ারের পানি আসলে সেন্টমার্টিনের জন্য বড়ই হুমকি। ’

ঘূর্ণিঝড় মোখা মূল আঘাত হানবে মিয়ানমারের ওপর। যে কারণে বাংলাদেশের জন্য অনেকটাই ঝুঁকি কেটে গেছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখা টেকনাফ থেকে ৫০-৬০ কিলোমিটার দূরত্বে দক্ষিণ মিয়ানমারের সিট্যুয়ে অঞ্চল দিয়ে যাবে। রোববার (১৪ মে) বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁও আবহাওয়া অধিদপ্তর ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

আজিজুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের মূল ঝুঁকিটা চলে যাবে মিয়ানমার অঞ্চল দিয়ে। টেকনাফ, কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের অঞ্চলগুলো ঝুঁকিমুক্ত হতে চলেছে। এর ফলে শুরু থেকে ঘূর্ণিঝড় মোখা নিয়ে আমাদের যে ঝুঁকির আশঙ্কা ছিল, এখন আর ততটা ঝুঁকি নেই।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার পিক আওয়ার হবে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা। এ সময়ে দ্রুত বেগে জলোচ্ছ্বাস প্রবাহিত হবে। তখন ঘণ্টায় ১২০-১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝোড়ো হাওয়া হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক আরও বলেন, বিকেল নাগাদ ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশ অতিক্রম করে গেলেও এর প্রভাব থেকে যাবে আরও দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত। আর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পরিলক্ষিত হবে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপে। আমরা আশঙ্কা করছি, জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা যদি ৮ থেকে ১২ ফিট পর্যন্ত হয়, তাহলে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে অস্থায়ীভাবে পানির জলাবদ্ধতা থাকবে। তবে পর্যায়ক্রমে তা কেটে যাবে।

এদিকে রোববার (১৪ মে) ব্রিফিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, আজ সকাল ছয়টা থেকে ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রভাগ টেকনাফ উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে। বেলা ৩টার মধ্যে এটি উপকূল পার হয়ে যাবে। ভাটার কারণে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা কম। শুকরিয়া জানাই ঝড়টি খুব একটা ক্ষতি করবে না। তবে অতিক্রমের সময় ঝড়ের গতিবেগ বেশি থাকলে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। ঝড়ের গতিবেগ পরিবর্তনের কারণেই আঘাত হানার সময় পরিবর্তন হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কপিরাইট © ২০২২ দৈনিক প্রথম প্রহর. কম
ডিজাইন ও ডেভেলপ : ডিজিটাল এয়ার