1. admin@dainikprothomprohor.com : admin : News Desk
বরগুনায় দূর্নীতি ও অপকর্মের সাথে আপোষ না করায় দুই সাংবাদিকের নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ - দৈনিক প্রথম প্রহর
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন

বরগুনায় দূর্নীতি ও অপকর্মের সাথে আপোষ না করায় দুই সাংবাদিকের নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ মে, ২০২৩

বরগুনা জেলার দুই সাংবাদিকের নামে অনলাইন সহ বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ভিত্তিহীন নিউজ প্রকাশের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উক্ত সাংবাদিক দু’জন হলেন বিজয় টিভি ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার বরগুনা জেলা প্রতিনিধি মোঃ আনিসুর রহমান টুলু ও একই পত্রিকার পাথরঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ ইব্রাহীম খলীল।

উক্ত অভিযোগের ব্যাপারে ঐ সাংবাদিকদয় জানান , গত ৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে শামীম আহমেদ আমাদের কাছে পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের পশ্চিম জালিয়াঘাটা এলাকার জহির আলীম তাপস নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে তার লেখা একটি নিউজ আমাদেরকে করতে বলে, কিন্ত খোঁজ নিয়ে দেখা যায় যে তাপস এবং শামীমের বাড়ি পাশাপাশি তাদের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব রয়েছে শমীম মুলত একজন মামলাবাজ সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকার বিভিন্ন লোকদের সে হয়রানি করে, সেই দ্বন্দ্বের জের ধরে তাপসের নামে ভিত্তিহীন নিউজ করতে বলে, সেই নিউজ করতে আমরা দুজনই অস্বীকার করি, সে দিন থেকেই শামীম আমাদের দুজনের বিরুদ্ধে নানা ধরেরন অপবাদ শুরু করে, তারা আরো জানান যে, এর দু তিন দিন পরেই হঠাৎ করে দেখা যায় যে, “এমপির লোক পরিচয়ে তাপসের উত্থান” (প্রতিনিধি ইব্রাহীম খলীল, পাথরঘাটা) শিরোনামে সেই ভিত্তিহীন নিউজ সকালের সময় এর অনলাইনে ছাপা হয়, এ বিষয়ে ইব্রাহীম খলীল অফিসে অভিযোগ জানালে কিছুক্ষণের মধ্যেই (প্রতিনিধি আনিসুর রহমান টুলু) এর নামে দেয়া হয়, কিন্তু আনিসুর রহমান টুলুও যখন অফিসে অভিযোগ করে তার নাম সরিয়ে নিজস্ব সংবাদদাতা শিরোনামে নিউজটি এখনো অনলাইন বিদ্যমান রয়েছে।
এ দিকে তাপসের নামে মিথ্যা নিউজ করার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রায় ৬ শত নারী পুরুষ মিলে শামীমের বিরুদ্ধে তার বাড়ির সামনে মানববন্ধন করে, মানববন্ধনে বরগুনা জেলার দীপ্ত টিভির সাংবাদিক শাহ আলী সহ পাথরঘাটা উপজেলার প্রায় ১০/১২ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন এবং পাথরঘাটার প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুইজন পুলিশের “ডিএসবি” ও উপস্থিত ছিলেন, এ বিষয়ে শামীমের বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে নিউজ ছাপা হয়।
নিউজের কিছু অংশ.
শামীম আহমেদ পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড পশ্চিম জালিয়াঘাটা আঃ খালেক (হুজুরের) ছেলে। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সেন্টু, তিনি বলেন এলাকায় শামীমের নামে বিভিন্ন লোকের অভিযোগ রয়েছে, কারো সাথে কিছু হলেই তাকে মামলা দিয়ে হয়রানি করে, এমনকি আমি নিজেও তার করা দুটি মিথ্যা মামলার হয়রানির শিকার, শামীম বিগতে দিনে এলাকার প্রায় ৮-১০ জনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে, এমনকি একজন লোকের নামে ৭ টি মামলাও রয়েছে, তবে তার করা কোন মামলাই সত্য প্রমাণিত হয়নি, সে বর্তমানেও এই এলাকার জহির আলীম (তাপস) নামে একজনকে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, তাপস আমাদের এলাকার একজন সহজ সরল ছেলে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাপস বলেন, আমি শুধুমাত্র শামীমের একটি অন্যায় কাজে বাঁধা দিয়েছি বলে আমাকে নিয়ে গত ৬ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে “দৈনিক সকালের সময়” পত্রিকায় ষড়যন্ত্র মূলক ভিত্তিহীন নিউজ করেছে, এবং আমাকে একটি মিথ্যা মামলাও দিয়েছে। তবে আমি তার এই মিথ্যা ভিত্তিহীন নিউজের জন্য পাথরঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি উক্ত জিডি’র শুনানিও হয়েছে আশাকরি তদন্তে বিষয়টি সমাজে পরিস্কার হয় উঠবে।
এছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কাকচিড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, তিনি বলেন আমার জানামতে শামীম একজন প্রকৃত মামলাবাজ সে কোন দিনও আ.লীগে ছিলো না আর এখনো নাই তবে শামীম ২০০৩/৪ এর দিকে বিএনপির সাথে যুক্ত ছিলো। সৌদি প্রবাসী মোঃ জামাল হোসেন বলেন যে, শামীম চুরির অপবাদে সেই বিএনপির আমলেই এলাকা ত্যাগ করেন, তাদের পরিবারেরই আত্নীয় বাইনতলা এলাকার জালাল হোসেন এর মোবাই চুরি করে সেই ২০০৩/৪ সালের দিকে, তার চুরির জন্য তার বাবা আঃ খালেক হুজুর তাদের গরু বিক্রি করে জরিমানা পরিশোধ করেন এবং তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়, জালাল হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে বিষয় জানতে চাইলে তিনি সব কিছু স্বীকার করেন এবং ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। তিনি আরো বলেন শামীম একজন নারী লোভী সে প্রায় ৬/৭ টি মেয়ের জীন নষ্ট করেছে, বরগুনার এক মেয়ের করা মামলায় তার মা-বাবা জেল খেটেছে। এ দিকে শামীমের বাড়ির পাশের মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন শামীম তো বিএনপির আমলে সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম মণি’র কলেজে পড়তো, সে কেমন করে একজন এত বড় সাংবাদিক হয়ে গেলো এই তো কয়েকবছর পূর্বেও তো ঢাকায় থাকতে ছিনতাইয়ের জন্য শামীমকে আটক করে রাখে, শামীমের বাবা আমাকে ফোন করে ছাড়িয়ে আনতে বললেও আমি একজন ছিনতাইকারীকে ছাড়াতে যায়নি। এখন তো দু বছর ধরে শুনি যে, শামীম সাংবাদিক সে নাকি এমপি মন্ত্রীদের সাথে চলে।
আনিসুর রহমান টুলু ও ইব্রাহীম খলীল জানান যে, শামীমের দূর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার জন্যই সম্পাদকের কাছে আমাদের নামে বিভিন্ন অভিযোগ করে এবং গত ১৬ মে ২০২৩ তারিখে “ডে-নাইট” নামে একটি পোর্টালে আমাদের নামে বিভিন্ন ধরনের বানোয়াট কথা লিখে নিউজ প্রকাশ করেছে, যার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই, শামীমের দূর্নীতি ও অপকর্মের বিষয়ে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার সম্পাদক মোঃ নূর হাকিম এর সাথে আলাপ হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার আস্বস্ত করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কপিরাইট © ২০২২ দৈনিক প্রথম প্রহর. কম
ডিজাইন ও ডেভেলপ : ডিজিটাল এয়ার